
বৈরী আবহাওয়ার কারণে ১০ দিন বন্ধ থাকার পর ঝুঁকি নিয়েই ট্রলারে করে সেন্ট মার্টিনে ফিরেছেন আটকে পড়া ১৫৯ বাসিন্দা। একই সঙ্গে দ্বীপে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০০ পরিবারের জন্য ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ঘাট থেকে তিনটি কাঠের সার্ভিস ট্রলার সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ট্রলারগুলোতে ৮০ জন পুরুষ, ৪০ জন নারী ও ৩৯ জন শিশুসহ মোট ১৫৯ জন যাত্রী ছিলেন। এসব ট্রলারে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০০ পরিবারের জন্য খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রীও পাঠানো হয়।
বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে গত ১০ দিন ধরে যাত্রীবাহী ট্রলার ও সাধারণ নৌযান চলাচল বন্ধ ছিল। এতে চিকিৎসা, নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা ও অন্যান্য জরুরি কাজে টেকনাফে আসা সেন্ট মার্টিনের শতাধিক বাসিন্দা মূল ভূখণ্ডে আটকা পড়েন। দীর্ঘদিন হোটেল ও স্বজনদের বাড়িতে অবস্থানের পর আর্থিক সংকটের মুখে তারা ট্রলারে করেই দ্বীপে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য হাবিবুর রহমান খান জানান, দুপুর ২টার দিকে তিনটি ট্রলার নিরাপদে সেন্ট মার্টিনে পৌঁছেছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. অনীক চৌধুরী বলেন, আবহাওয়া অধিদপ্তর বঙ্গোপসাগরের ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত প্রত্যাহার করায় এবং সাগর তুলনামূলক শান্ত হওয়ায় আটকে পড়া বাসিন্দাদের ট্রলারে করে সেন্ট মার্টিনে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০০ পরিবারের জন্য ত্রাণসামগ্রীও পাঠানো হয়েছে।